দুঃখ, দারিদ্র্য ও ভয় দূর করতে শ্রীশ্রীঠাকুরের দেওয়া এই এক উপায়!
দুঃখ, দারিদ্র্য ও ভয় দূর করতে শ্রীশ্রীঠাকুরের দেওয়া এই এক উপায়!
বিনীত নিবেদন
প্রায় ৩০ বৎসর আগের কথা। শ্রীশ্রীঠাকুর আমাদের ভবানীপুরের বাসায় (৭৫নং বকুলবাগান স্ট্রীট, কলিকাতা) বসিয়া এই "গুরুগীতা” স্বহস্তে লিখিয়া আমার জ্যেষ্ঠভ্রাতা শ্রীযুক্ত অক্ষয়কুমার মজুমদারকে দিয়াছিলেন। এই লেখা খাতাখানি বহুদিন যাবৎ দাদার ঠাকুরঘরে পড়িয়া থাকায় পাতাগুলি বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় ১২ বৎসর হইল এই খাতাখানি আমার নিকট আসিয়াছে। মজঃফরপুর থাকাকালীন হইতে শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দেশক্রমে আমার বাড়ীতে গুরুগীতা নিত্যপাঠের ব্যবস্থা করা হইয়াছে। গুরুগীতা
নিত্যপাঠের নির্দেশ ঠাকুর আমাদিগকে ও অন্যান্য বহু গুরুভ্রাতাকে দিয়াছেন। শ্রীশ্রীঠাকুর বলিয়াছেন "এই গুরুগীতা নিত্যপাঠ করিলে দারিদ্র্য, দুঃখ, ভয় ও শোক দূরীভূত হয় এবং স্ত্রীলোকদের বৈধব্য দোষ ঘটে না।”
গুরুভ্রাতাদের অনেকে আমার নিকট ঠাকুরের লেখা এই পুস্তকখানি দেখিয়া শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দেশের কথা আমাদিগকে বলিয়াছেন এবং এই পুস্তকখানি যথাসম্ভব শীঘ্র ছাপাইবার জন্য বারংবার অনুরোধ করিয়াছেন। দুঃখের বিষয়, এযাবৎ নানারকম প্রতিবন্ধকতায় ছাপাইবার ব্যবস্থা করিতে পারি নাই। জনৈক গুরুভ্রাতার সহৃদয় আনুকুল্য বর্তমানে আমাকে শ্রীশ্রীঠাকুরের স্বহস্তলিখিত এই গুরুগীতা পুস্তক আকারে প্রকাশ করিতে উৎসাহিত করিয়াছে। শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দেশের প্রতি তাঁহার এই অকৃত্রিম শ্রদ্ধা আমি কৃতজ্ঞচিত্তে চিরকাল স্মরণ করিব।
শ্রীশ্রীঠাকুরের শ্রীহস্তে লেখা এই পুস্তক কেহ দেখিবার ইচ্ছা করিলে আমার বাসায় অনুগ্রহপূর্বক আসিতে পারেন।
আমার মনে হয়, গুরুভ্রাতা ও ভগিনীদিগের এই গুরুগীতা নিত্যপাঠ করা কর্তব্য।
শ্রীরোহিণী কুমার মজুমদার

